রাত পোহালেই জাবিসাস নির্বাচন: প্রস্তুত ব্যালট বক্স, নেতৃত্বে আসার লড়াইয়ে প্রস্তুত সাংবাদিকরা

Site Favicon প্রকাশিত: ০৯ মার্চ ২০২৬ ২২:৩৯
A+A-
Reset

সকল জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে রাত পোহালেই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (জাবিসাস) ২০২৬ সেশনের কার্যকরী পরিষদের নির্বাচন। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত জাবিসাস কার্যালয়ে বিরতিহীনভাবে চলবে ভোটগ্রহণ। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক মহলে এখন উৎসবমুখর পরিবেশ ও টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে।

​এর আগে গত শনিবার (৭ মার্চ) প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. নাহিদ আখতার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক তফসিল ঘোষণা করা হয়।

ভোটের নির্ঘণ্ট ও প্রস্তুতি

​তফসিল অনুযায়ী, আজ সোমবার (৯ মার্চ) নির্বাচনের আগের শেষ প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন। আগামীকাল মঙ্গলবার সকাল ১০টায় ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে চলবে দুপুর ১টা পর্যন্ত। ভোট গ্রহণ শেষে ওই দিনই দুপুর ২টায় আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করা হবে। জাবিসাসের গঠনতন্ত্রের ১৭ নম্বর ধারা অনুযায়ী এই নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

লড়াই হবে ৯টি পদে

​এবারের নির্বাচনে মোট ৯টি পদের বিপরীতে প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। পদগুলো হলো:সভাপতি​, সহসভাপতি​, সাধারণ সম্পাদক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক​, কোষাধ্যক্ষ​, দপ্তর ও প্রকাশনা সম্পাদক  এবং তিনজন কার্যকরী সদস্য

কঠোর অবস্থানে নির্বাচন কমিশন

​সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে তিন সদস্যের শক্তিশালী নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. নাহিদ আখতারের সাথে কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আবু সাইফ মো. মুনতাকিমুল বারী চৌধুরী এবং পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিকস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. সাহাদাত হোসেন।

​নির্বাচনী আচরণবিধিতে স্পষ্ট বলা হয়েছে, কোনো প্রার্থীর বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠলে তদন্ত সাপেক্ষে তার প্রার্থিতা বাতিল হতে পারে। এছাড়া গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, যদি কোনো পদে একাধিক প্রার্থী সমান ভোট পান, তবে লটারির মাধ্যমে ফলাফল নিষ্পত্তি করা হবে।

প্রার্থীদের শেষ মুহূর্তের ব্যস্ততা

​নির্বাচনের আগের রাতে প্রার্থীরা ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে শেষ মুহূর্তের দোয়া ও সমর্থন চাচ্ছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট মহলের প্রত্যাশা, এই নির্বাচনের মাধ্যমে এমন একটি নেতৃত্ব বেরিয়ে আসবে যারা বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থ রক্ষা ও সাংবাদিকদের অধিকার আদায়ে সচেষ্ট থাকবে।

আপনার পছন্দ হতে পারে