জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্ষণে অভিযুক্ত প্রাক্তন শিক্ষার্থীর সনদপত্র স্থগিত

Site Favicon প্রকাশিত: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২২:২৮
A+A-
Reset

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে বাসায় আটকে শারীরিক নির্যাতনের ও ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী এসএম তারিকুল ইসলামের সনদপত্র সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। একইসঙ্গে বিষয়টি তদন্তের জন্য একটি ছয় সদস্যের তদন্ত কমিটিও করা হয়েছে।

আজ শনিবার রাতে বিশ্ববিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কার্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মোহাম্মদ মহিউদ্দিন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

গত মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী ইসলামনগর এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় ভুক্তভোগী ছাত্রীকে ব্ল্যাকমেল করে জোরপূর্বক বাসায় নেন তারিকুল ইসলাম। এক পর্যায়ে তাকে শারীরিকভাবে অমানবিক নির্যাতন করেন। পরে ওই ছাত্রী জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এ কল করলে আশুলিয়া থানা পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেন। পরদিন বুধবার আশুলিয়া থানায় ভুক্তভোগী নিজে বাদী হয়ে তারিকুল ইসলামকে আসামী করে শারীরিক নির্যাতন ও ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনার চারদিন পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আজ তদন্ত কমটি গঠন করেছে ও তার স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সনদপত্র সাময়িকভাবে স্থগিগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কার্যালয় থেকে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন নারী শিক্ষার্থী কর্তৃক ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজি (আইআইটি)-এর ৪৪তম ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থী এস. এম. তারিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি আনুমানিক সন্ধ্যা ৬.১০ মিনিটে বীর প্রতীক তারামন বিবি হল থেকে হুমকি দিয়ে জোরপূর্বক পার্শ্ববর্তী ইসলামনগরে তার ভাড়া বাসায় নিয়ে ওই শিক্ষার্থীর হাত-পা ও মুখ বেঁধে তাকে অমানবিক শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনসহ ধর্ষণের অভিযোগের বিষয়ে তদন্তপূর্বক সুপারিশসহ প্রতিবেদন দেয়ার জন্য জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক মোহম্মদ মাফরুহী সাত্তারকে সভাপতি করে ৬ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বরাবর আবেদনের প্রেক্ষিতে আজ শনিবার বিকেলে উপাচার্য অধ্যাপক ড মোহাম্মদ কামরুল আহসানের সভাপতিত্বে  অনুষ্ঠিত জরুরি প্রশাসনিক সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন ফার্মেসী বিভাগের অধ্যাপক মো. সোহেল রানা, ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক খন্দকার মোহাম্মদ শরীফুল হুদা, নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মির্জা তাসলিমা সুলতানা, সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক নাসরীন সুলতানা এবং সদস্য সচিব ডেপুটি রেজিস্ট্রার (উচ্চশিক্ষা ও বৃত্তি)  লুৎফর রহমান আরিফ।

আপনার পছন্দ হতে পারে