জাবিতে থেমে নেই নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কর্মী, ছিনতাইকারী ও চাঁদাবাজ শান্ত মাহবুব

Site Favicon প্রকাশিত: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ২১:৩৪ আপডেট: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ২১:৪৫
A+A-
Reset

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থাপনার দেয়ালে অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রধান অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিরোধী ও স্বৈরাচার শেখ হাসিনার পক্ষে বিভিন্ন স্লোগান লেখা দেখা যাচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে ক্যাম্পাসে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, পূজার ছুটিতে বন্ধ ক্যাম্পাসে রাতের আধারে এসে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা বিভিন্ন দেয়ালে বিভিন্ন স্লোগান লিখে পালিয়ে যাচ্ছেন। সেসব ছবি পরেরদিন দিনের আলোতে অন্যকারো দিয়ে তুলে আওয়ামীলীগের ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিভিন্ন ফেসবুক পেইজের মাধ্যমে প্রচার করছেন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের জহির রায়হান মিলনায়তন ও মুক্তমঞ্চের দেয়ালে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের স্লোগান ও অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে লেখা রয়েছে। তার নিচে শাখা ছাত্রলীগের নেতা শান্ত মাহবুবের নাম লেখা।

শিক্ষার্থীরা জানান, শান্ত মাহবুব পোষ্যকোটায় নৃবিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হয়েছিলেন। ক্যাম্পাসের রিকশাচালক, দোকানদার ও ক্যাম্পাসের আশেপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে চাঁদাবাজি ও ছিনতাই করে শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান লিটনকে ভাগ দিতেন। এতে সহজে লিটনের বিশ্বস্ত হয়ে ওঠেন শান্ত। ছাত্রলীগের ক্ষমতাকালে ক্যাম্পাসে পোষ্যকোটায় ভর্তি দপ্তর সম্পাদক রনিসহ কয়েকজন পোষ্য কোটায় ভর্তি ছাত্রলীগকে নিয়ে চাঁদাবাজি, চুরি, ছিন্তাইসহ ত্রাসের রাজনীতি শুরু করেন লিটনবাহিনী। যার অন্যতম হোতা ছিলেন শান্ত মাহবুব।

শান্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ নম্বর আবাসিক হলে অবৈধভাবে থাকতেন। ওই হলের শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, শান্ত মাহবুব লুঙ্গি, প্যান্ট, জামাসহ বিভিন্ন পন্য চুরি করে সাভারের পুরাতন বাজারে বিক্রি করতেন। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা এলাকায় ফাও খাওয়ার কারণে দোকানদাররা গণ-অভ্যুত্থানের পর শান্ত মাহবুবকে মারধরের জন্য খুজতে তার বাসায় গিয়েছিলেন কয়েকদিন। তবে শান্ত গণ-অভ্যুত্থানের পর গা ঢাকা দেওয়ার কারণে তাকে খুজে পাওয়া যায়নি। পুজার ছুটিতে শান্ত মাহবুব ফের সক্রিয় হয়েছে ক্যাম্পাসে।

সার্বিক বিষয়ে জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক একেএম রাশিদুল আলম ও নিরাপপত্তা কর্মকর্তা জেফরুল হাসান সজলের মোবাইলে যোগাযোগ করা হলেও তিনি ধরেননি।

আপনার পছন্দ হতে পারে