২৩ বছরে পদার্পণ করলো জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক সংগঠন জলসিঁড়ি

Site Favicon প্রকাশিত: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১২:৪২
A+A-
Reset

২২ বছর পেরিয়ে ২৩ বছরে পদার্পণ করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক সংগঠন জলসিঁড়ি। প্রায় দুই যুগ আগে ২৫ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে ছোট একটি সঙ্গীতানুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সাংস্কৃতিক সংগঠন জলসিঁড়ি আত্মপ্রকাশ করেছিল।

সংগঠনটির নেতা-কর্মীরা জানান, সংগঠনটির আত্মপ্রকাশের আগে, শুধু ‘জলসিঁড়ি’ নামটির জন্য অপেক্ষা করতে হয়েছিল বেশ কিছুদিন। তারপর তৈরি হয়েছিল এর স্লোগান—‘আমরা শ্রম ও মেধায় বাবুই পাখির মতো সৃষ্টিশীল হতে চাই।’ আর ট্যাগ লাইন—‘জলসিঁড়ি-একটি মননশীল শিল্পচর্চা কেন্দ্র।’ সবশেষে তৈরি হয়েছিল থিম সঙ: ‘আমাদের কলরবে, মুখরিত হয় যদি তোমাদের মন—হৃদয়ের দাবি নিয়ে জলসিঁড়ি’র এই আয়োজন।

তারা জানান, সময়ের পালাবদলে নক্ষত্রের মতো দ্যুতি নিয়ে একে একে জলসিঁড়িতে যোগ দিয়েছেন অগণিত নিবেদিতপ্রাণ কর্মীবৃন্দ। তাঁরা জলসিঁড়িকে সমৃদ্ধ করেছেন পাশাপাশি নিজেরাও হয়েছেন আত্মপ্রত্যয়ী। বিশেষায়িত সংগঠন ক্যাম্পাসে আগে থেকেই ছিল। যেমন—ধ্বনি, জাহাঙ্গীরনগর থিয়েটার প্রভৃতি। কিন্তু জলসিঁড়ি নতুন এক প্রত্যয় নিয়ে আত্মপ্রকাশ করেছিল; এটি হবে এক অনন্য বৈশিষ্ট্যের অধিকারী সাংস্কৃতিক সংগঠন যে— শিল্পকলার সকল শাখা নিয়ে কাজ করবে।

তারা আরও জানান, পূর্ব-পরিকল্পনানুযায়ী নাটক, গান, লিটল-ম্যাগাজিন, আবৃত্তি, চিত্রকলা এমনকি নৃত্যকলা নিয়েও কাজ শুরু হয়েছিল এবং সে ধারাতেই এখনো চলছে সংগঠনটি। তাদের প্রাণান্ত চেষ্টা ছিল জলসিঁড়িকে সম্পূর্ণরূপে একটি শুদ্ধ শিল্পচর্চা কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা। সে চেষ্টা এখনো অব্যাহত রয়েছে। সংগঠনটির সংশ্লিষ্টরা স্বপ্ন দেখেন, ডিপার্টমেন্টের বাইরেও শিক্ষার্থীরা সাংস্কৃতিক সংগঠনের মতাদর্শে বিশেষভাবে ঋদ্ধ হবেন। বাঙালিয়ানার আবেশ ছড়াবেন দেশ থেকে দেশান্তরে। ক্যাম্পাসে টিকিটের বিনিময়ে গান শোনা ও নাটক দেখা, হাতে আঁকা নতুন ধরনের পোস্টার প্রচলন করা, প্রচারণা ও প্রেজেন্টেশনে অভিনবত্ব—এসবই জলসিঁড়ির অর্জন।

আপনার পছন্দ হতে পারে