জাতিসংঘ মিলেনিয়াম ফেলোশিপের জন্য নির্বাচিত হলেন হাবিপ্রবির ১৮ শিক্ষার্থী

by অনলাইন ডেস্ক
Site Favicon প্রকাশিত: ১৫ আগস্ট ২০২৫ ১৩:২২
A+A-
Reset

হাবিপ্রবি প্রতিনিধি

জাতিসংঘের ‘মিলেনিয়াম ফেলোশিপ ২০২৫’ প্রথমবারের মতো দিনাজপুরের  হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) ১৮ জন শিক্ষার্থী নির্বাচিত হয়েছেন। এ ফেলোশিপটি অর্জন করার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রথমবার মিলেনিয়াম ফেলোশিপের যাত্রা শুরু করেছে।

জাতিসংঘ মিলেনিয়াম ফেলোশিপ অর্জনকারী শিক্ষার্থীরা হলেন, মো. রাইজুল ইসলাম, মো. আসিফ মাহমুদ, খাইরান মির্জা, মোছা. জেসমিন আক্তার, দীন ইসলাম, ফারহানা তারিন, ইসরাত জাহান, মো. আব্দুল্লাহ, মঈনুদ্দিন রাব্বি, মো. রেদওয়ান আহমেদ, মো. রিফাত, মিথিলা রায়, মোছা. অলিয়া হ্যাপি, মোছা. জাকিয়া সুলতানা, রাকিবুল হাসান, সাদিয়া তারিন, সানজিদা স্নেহা, তাসবিউল ইসলাম।

জানা যায়, মিলেনিয়াম ফেলোশিপ একটি দীর্ঘ নেতৃত্বমূলক প্রোগ্রাম যা সারা বিশ্ব থেকে নেতৃত্বের গুণাবলী সম্পন্ন শিক্ষার্থীদের একত্রিত করে। এ একাডেমিক প্রোগ্রামটির লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের মূল্যবোধ, পেশাগত যোগ্যতা এবং ক্যারিয়ারের পথ বিকাশে সহায়তা করা যেটি সামাজিক প্রভাবক্ষম কাজে সাফল্যের জন্য প্রয়োজনীয়। এ বছর ১৬০+ দেশ থেকে ৭,০০০+ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬০,০০০+ শিক্ষার্থী আবেদন করে। যার মধ্যে মাত্র ৪% ক্যাম্পাস এবং ৪,০০০+ ফেলো নির্বাচিত হয়েছেন। বাংলাদেশ থেকে নির্বাচিত কয়েকটি ক্যাম্পাসের মধ্যে হাবিপ্রবি অন্যতম।

হাবিপ্রবির অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী মো. রাইজুল ইসলাম প্রথমবারের মতো এ ফেলোশিপে ব্যক্তিগতভাবে মনোনয়ন পাওয়ার পাশাপাশি তাঁর নেতৃত্বে আরও বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থীকে আবেদন করতে উদ্বুদ্ধ করেন। তাঁর উদ্যোগ ও প্রচেষ্টায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক আবেদন জমা হয়। যার ফলস্বরূপ হাবিপ্রবি মিলেনিয়াম ফেলোশিপ ক্যাম্পাস  (Millennium Fellowship Campus) হিসেবে মনোনীত হয়। চূড়ান্তভাবে হাবিপ্রবি থেকে ১৮ জন শিক্ষার্থী এই মর্যাদাপূর্ণ ফেলোশিপ অর্জন করেছে। ফেলোশিপ চলাকালীন তারা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDGs) বাস্তবায়নে নিজস্ব ক্যাম্পাস প্রজেক্ট পরিচালনা করবে এবং বৈশ্বিক তরুণ নেতৃত্ব নেটওয়ার্কে যুক্ত হয়ে কাজ করবে।

মো. রাইজুল ইসলাম বলেন, এটি শুধু আমার ব্যক্তিগত অর্জন নয় বরং হাবিপ্রবির ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা। আমার ইচ্ছা ছিল আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণরা আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে নিজেদের দক্ষতা ও সামাজিক প্রভাবের কাজ তুলে ধরুক। এ বছর ১৮ জন সহপাঠীকে নিয়ে আমরা সেই যাত্রা শুরু করেছি।

প্রসঙ্গত, হাবিপ্রবির নির্বাচিত ফেলোরা বিভিন্ন সামাজিক, পরিবেশগত ও নীতি-সংক্রান্ত প্রজেক্টের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় ও আশেপাশের কমিউনিটিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে কাজ করবে। ফেলোশিপ চলাকালীন তারা অন্যান্য দেশ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ফেলোদের সাথে আইডিয়া বিনিময় এবং যৌথ কার্যক্রমে অংশ নেবে।

হাবিপ্রবি/সাগর চন্দ্র

আপনার পছন্দ হতে পারে