ভোলাগঞ্জে পাথর উত্তোলনে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ

by অনলাইন ডেস্ক
Site Favicon প্রকাশিত: ১৩ আগস্ট ২০২৫ ২০:২২
A+A-
Reset

চবি প্রতিনিধি

সিলেটের ভোলাগঞ্জে পাথর উত্তোলনসহ পরিবেশ বিধ্বংসী উন্নয়ন কার্যক্রমের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে মানববন্ধন করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

আজ বুধবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে চবির কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে গ্রীনভয়েস চবি শাখার উদ্যোগে
এই প্রতিবাদ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন গ্রীনভয়েসের উপদেষ্টা, হালদা রিভার রিসার্চ ইনস্টিটিউটের পরিচালক ও চবির  প্রাণিবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মনজুরুল কিবরিয়া, সভাপতি  নূর মোহাম্মদ সাগর ও সাধারণ সম্পাদক মো: ইয়াসিন আরাফাত রাফি।

শাখার সাধারণ সম্পাদক মো: ইয়াসিন আরাফাত রাফি বলেন, “দেশের প্রধান পর্যটন কেন্দ্রগুলোর একটি সিলেট ভোলাগঞ্জ সাদা পাথর যেখানে প্রতিবছর হাজার হাজার পর্যটক সাদা পাথরের সৌন্দর্য উপভোগ করতে সিলেটে যান। দুখের বিষয় বর্তমানে এই সাদা পাথর ধ্বংসের দোরগোড়ায়। এই চক্র দেশের পর্যটন শিল্পকে বিলুপ্তি করতে চাই তাদেরকে যুবসমাজ সম্মিলিত প্রচেষ্টায় রুখে দিতে হবে।” তিনি দেশের সকল নাগরিককে পরিবেশ ও প্রকৃতি রক্ষায় এগিয়ে আসতে আহ্বান করেন।

গ্রীনভয়েস চবি শাখার সভাপতি মোহাম্মদ সাগর মিয়া বলেন, “ভোলাগঞ্জ এখন প্রায় মরুভূমিতে রূপ নিয়েছে। সাদা পাথর স্বাভাবিকভাবে পানি প্রবাহ ধরে রাখে; এগুলো নষ্ট হলে বর্ষাকালে তা প্রাণঘাতী পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারে।”

তিনি আরও বলেন, “যে স্থানগুলো একসময় প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও স্বচ্ছ জলের জন্য পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় ছিল, আজ সেখানে কেবল ধ্বংসস্তূপ পড়ে আছে।” দেশীয় পাথর সংরক্ষণ ও এর টেকসই ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

গ্রীনভয়েসের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মনজুরুল কিবরিয়া বলেন, “ভোলাগঞ্জের সাদা পাথর উত্তোলন কোনো সাধারণ ঘটনা নয়; এর পেছনে একটি সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। এভাবে নির্বিচারে পাথর আহরণ চলতে থাকলে সিলেটের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত পর্যটন কেন্দ্রগুলো ধ্বংস হয়ে যাবে এবং স্থানীয় জীববৈচিত্র্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।” তিনি পরিবেশ ও পর্যটন শিল্প রক্ষায় ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

চবি/মো: হাসিবুর রহমান

আপনার পছন্দ হতে পারে