যুক্তরাষ্ট্র ও দখলদার ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। দেশটির ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড গতকাল মঙ্গলবার জানিয়েছে, হরমুজ দিয়ে যদি কোনো জাহাজ চলাচলের চেষ্টা করে তাহলে জাহাজ জ্বালিয়ে দেওয়া হবে।
হরমুজ কেন গুরুত্বপূর্ণ?
সারাবিশ্বে মোট যে জ্বালানি তেল ব্যবহার করা হয় তার পাঁচভাগের এক ভাগ এ্ই হরমুজ দিয়ে পরিবহন বা রপ্তানি করা হয়।
হরমুজ প্রণালী ওমান এবং ইরানের মাঝে অবস্থিত। এর উত্তরে রয়েছে পারস্য উপসাগর আর দক্ষিণে ওমান উপসাগর। এই সরু সামুদ্রিক পথটি দুই উপসাগরকে একে অপরের সাথে এবং তারও পরে থাকা আরব সাগরের সাথে যুক্ত করেছে।
হরজুম প্রণালীর সবচেয়ে সরু অংশটি ৩৩ কিলোমিটার চওড়া। সহজ করে বললে ঢাকার গুলিস্তান থেকে নবাবগঞ্জ উপজেলার দূরত্ব ৩৩ কিলোমিটার।
কিন্তু উভয় দিক থেকে জাহাজ চলাচল করার পথটি মাত্র ৩ কিলোমিটার চওড়া।
তেল উৎপাদনকারী সংস্থা ওপেকের সদস্য সৌদি আরব, ইরান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, ইরাক তাদের বেশিরভাগ অপরিশোধিত তেল হরমুজ প্রণালী দিয়ে রপ্তানি করে। তাদের তেলগুলো আসে মূলত এশিয়ায়।
ওই অঞ্চলের আরেক দেশ কাতার বিশ্বের সবচেয়ে বড় তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদনকারী। তারা তাদের উৎপাদিত গ্যাসের পুরোটাই হরমুজ দিয়ে পাঠায়। ইরানের হামলার পর গত সোমবার কাতার গ্যাস উৎপাদন বন্ধ করে দেয়।
সূত্র: রয়টার্স