প্রথম ধাপে ২০৪ ইউপিতে নির্বাচন করবে সরকার

by অনলাইন ডেস্ক
Site Favicon প্রকাশিত: ০২ মার্চ ২০২৬ ১৩:৩৬
A+A-
Reset

স্থানীয় সরকার–কাঠামোর সর্বনিম্ন স্তর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আগামী জুলাইয়ে শুরু করতে চায় সরকার। প্রথম ধাপে ২০৪টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে বেশির ভাগ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন হবে বরিশাল বিভাগের ছয়টি জেলায়। দ্বিতীয় ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন হতে পারে এ বছরের শেষের দিকে। সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা নির্বাচনের পরপরই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়লাভের পর জনপ্রিয়তা থাকতে থাকতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শেষ করতে চায় সরকার। সেই আলোকে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, যত দ্রুত সম্ভব স্থানীয় নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হবে। তবে তাঁর আগে স্থানীয় নির্বাচন দলীয় প্রতীকে হবে কি না, তা জাতীয় সংসদ থেকে চূড়ান্ত হতে হবে। তার পরই নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হবে। ১২ মার্চ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হচ্ছে।

স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইনে বলা আছে, কোনো ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত পরিষদের প্রথম সভার পর থেকে পাঁচ বছর পূর্ণ হওয়ার ১৮০ দিনের মধ্যে পরবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, ইউনিয়ন পরিষদের প্রথম ধাপের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০২১ সালের ২১ জুন। সেদিন প্রথম ধাপে ২০৪টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন হয়। মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় সেসব ইউনিয়নে এখন নির্বাচন করতে চায় সরকার।

গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সব জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কাছে চিঠি পাঠিয়েছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। তাতে দেশের সব ইউনিয়ন পরিষদে বর্তমানে কারা দায়িত্ব পালন করছেন, তা একটি ছকে তৈরি করে পাঠাতে বলা হয়েছে। কতটি ইউনিয়ন পরিষদে বর্তমানে চেয়ারম্যান দায়িত্ব পালন করছেন, কতটি ইউনিয়ন পরিষদে বর্তমানে প্যানেল চেয়ারম্যান দায়িত্ব পালন করছেন, কতটি ইউনিয়ন পরিষদে বর্তমানে প্রশাসক দায়িত্ব পালন করছেন, সে তথ্য পাঠাতে বলা হয়েছে।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, দেশে এখন ইউনিয়ন পরিষদ আছে ৪ হাজার ৫৮০টি। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অনেক ইউপি চেয়ারম্যান পালিয়ে যান। তখন ৪ হাজার ৫৮০টি ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে প্রায় দেড় হাজার ইউনিয়নে চেয়ারম্যানরা আত্মগোপনে চলে যান। তাঁরা আর অফিসে আসেননি। তাঁদের অনেকের নামে হত্যা মামলা হয়। বাকি তিন হাজারের কিছু বেশি ইউপি চেয়ারম্যান নিয়মিত অফিস করছেন। যেসব ইউনিয়নে চেয়ারম্যান অনুপস্থিত ছিলেন, সেখানে প্রশাসক নিয়োগ দেয় অন্তর্বর্তী সরকার। আবার কোথাও চেয়ারম্যান দায়িত্ব পালন করে আসছেন, কোথাও প্যানেল চেয়ারম্যান দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

দেশের সব ইউনিয়ন পরিষদে এখন কতজন চেয়ারম্যান, কতজন প্যানেল চেয়ারম্যান ও কতজন প্রশাসক দায়িত্ব পালন করছেন, সে তথ্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে নেই। গত ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচনের পর নতুন সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর এখন এসব তথ্য জানতে চেয়ে ডিসিদের চিঠি পাঠিয়েছে মন্ত্রণালয়।

পিরোজপুরের ডিসি আবু সাঈদ বলেন, এ জেলায় কোনো ইউনিয়ন পরিষদ

দেশে যখন দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হতো না, অনেক সম্মানিত ও জনপ্রিয় ব্যক্তি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতেন। যেটা পরবর্তী সময়ে বন্ধ হয়ে গেছে।

আপনার পছন্দ হতে পারে