টক-শোতে প্রধানমন্ত্রীকে মাননীয় না বলায় চটলেন জাবির আওয়ামীপন্থী ও জুলাই হামলায় উস্কানিদাতা হিসেবে অভিযুক্ত শিক্ষক অধ্যাপক জেবউন্নেসা।
জুলাই আন্দোলনে ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি হামলার এ ঘটনার পর তৎকালীন আওয়ামীপন্থি শিক্ষকদের সংগঠন বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের কিছু কথোপকথন ফাঁস হয়। ফাঁস হওয়া সেসব কথোপকথনে অন্যান্য শিক্ষকদের পাশাপাশি অধ্যাপক শফিক ও জেবউন্নেসাকে শিক্ষার্থীদের উপর পুলিশি হামলার উসকানি দিতে দেখা যায়।
ফাঁস হওয়া একটি স্ক্রিনশটে এক শিক্ষক কর্তৃক পুলিশ অ্যাকশনে যাওয়ার কথা বললে সেখানে অধ্যাপক জেবউন্নেসা শিক্ষার্থীদের ধিক্কার জানিয়ে উসকানি দেন। অপরদিকে অধ্যাপক শফিক শিক্ষার্থীদের সন্ত্রাসী বলে আখ্যা দেন। এছাড়া পুলিশি হামলার উসকানি দিতে থাকেন।
তিনি আরও বলেন, বেয়াদর কত প্রকার ও কি কি? টকশোতে বসে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মহামান্য রাষ্ট্রপতি বলে সম্বোধন করা দূরের কথানাম নিয়ে আলোচনা করে। সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠে পড়লেই কি সর্বোচ্চ বিনয়ী হওয়া যায়? বিনয়ে আভিজাত্য প্রকাশ হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গণঅভ্যুত্থানের পর জুলাইয়ে আন্দোলন চলাকালে হামলাকারী ছাত্রলীগ ও উসকানিদাতা শিক্ষকদের বিচারের দাবি জানায় শিক্ষার্থীরা। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রশাসন তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটির প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ৯ শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করে কর্তৃপক্ষ। এছাড়া হামলার ঘটনায় আরও ১০ শিক্ষক ওঅ বরখাস্ত ৯ জনের জন্য স্ট্রাকচার্ড কমিটি গঠন করে। তবে প্রাথমিক কমিটির প্রতিবেদনে উসকানিদাতা অধ্যাপক শফিক ও জেবউন্নেসার নাম বাদ পড়ায় তদন্ত কার্যক্রম নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন বিচারপ্রার্থী শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।