‘অল্প পানির মাছ বেশি পানিতে গেলে যেমন করে, তাদের অবস্থা এমন হয়ে গেছে’

প্রতিপক্ষকে মির্জা আব্বাস

by অনলাইন ডেস্ক
Site Favicon প্রকাশিত: ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২০:০২
A+A-
Reset

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা ৮ আসনে বিএনপি প্রার্থী মির্জা আব্বাস বলেছেন, অল্প পানির মাছ বেশি পানিতে গেলে যেমন করে, তাদের অবস্থা এখন এমন হয়ে গেছে। তারা আমার বিরুদ্ধে কথা বলা শুরু করেছে, যেটা তাদের মুখে মানায় না।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর গুলিস্তানের হল মার্কেটের ব্যবসায়ীদের সাথে মতবিনিময় সভায় এনসিপির মনোনীত প্রার্থী নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারীকে উদ্দেশ করে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা আব্বাস বলেন, ‘জনগণ জানে চুলার মুখে দিয়ে কখনো স্বর্ণ বের হয় না। চুলার মুখ দিয়ে ছাই বের হয়। আর স্বর্ণের খনি থেকে কখনো ছাই বের হয় না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা যদি ভাবেন, মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে একটু কথা বললেই প্রচারণায় থাকা যায়। এর জন্য বহু রাস্তা আছে, এজন্য আপনারা দান-খয়রাত করেন এবং ভালোভাবে কথা বলেন। কিন্তু, এভাবে গালিগালাজ করে, অসভ্য ভাষায় কথা বলে নিজের ভবিষ্যৎ জাহির করবেন না।’

আব্বাস বলেন, ‘আমার অবস্থান বরাবরই চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী এবং মাদকব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে রয়েছে। এটা নতুন কোনো বিষয় নয়। কিন্তু আমার বিরুদ্ধে দেশ-বিদেশে থেকে যেগুলো বলা হচ্ছে, সেটা এদেশের মানুষ বিশ্বাস করবে না।’

তিনি বলেন, ‘সকাল-সন্ধ্যা জামায়াতে ইসলামের একটা জুনিয়র গ্রুপ বিএনপি সম্পর্কে অসংখ্য নোংরা কথাবার্তা বলছে। জামায়াতের সর্বোচ্চ পর্যায়ের নেতৃবর্গ আমাদের দেশের চাকরিজীবী মেয়েদের সম্পর্কে খারাপ কথা বলেছে। তাদের মুখের কথাবার্তা লাগামহীন হয়ে গেছে।’

কখনো কোনো সুযোগ সুবিধা গ্রহণ করিনি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের বিরুদ্ধে যারা কথা বলছেন, আমি একটু স্পষ্ট করতে চাই— যদি আপনাদের বুকের পাটা থেকে থাকে, তাহলে আসেন বায়তুল মোকাররমের সামনে আমার নামে সালিশ বসান। কোনো অসুবিধা নেই, আমার বুকে সাহস আছে। আমি চুরিচামারি করে বড় হইনি। গায়ে খেটে বড় হয়েছি এবং নিজ হাতে কাজ করেছি।’

মির্জা আব্বাস বলেন, ‘দয়া করে একজন মানুষের বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা করবেন না। বরং নিজে কি করবেন, কি করেছেন, সেটা বলেন।’

মতবিনিময় সভায় ভোটারদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, নির্বাচনের দিন কেন্দ্র পাহারা দেবেন। যারা পোলিং এজেন্ট হবেন, তারা রেজাল্ট শিট দিয়ে রুম থেকে বের হবেন। প্রিজাইডিং অফিসারের স্বাক্ষরিত রেজাল্ট শিট ছাড়া, ওই এলাকা থেকে কোনো রিটার্নিং অফিসার ও পোলিং এজেন্ট যাতে বের হতে না পারে। যদি বলা হয় ভোট অফিসে গিয়ে গণনা করা হবে, এটা কোনোভাবেই অ্যালাও করবেন না। ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই। জনগণ আমাদের সঙ্গে আছে, জনগণ ভোটের অধিকার রক্ষায় সংগ্রাম করতে রাজি আছে। আবার শুনছি ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং হবে। নব্য প্রার্থীদের কথাবার্তায় বুঝতে পারছি, ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং হওয়ার চান্স রয়েছে।

আপনার পছন্দ হতে পারে