জাবিতে ছাত্রশক্তির ১৪ দিনব্যাপী ‘হ্যাঁ’ ক্যাম্পেইন শুরু

Site Favicon প্রকাশিত: ২৭ জানুয়ারি ২০২৬ ২১:২৯
A+A-
Reset
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) প্রচারণা শুরু করেছে ‘জাতীয় ছাত্রশক্তি’ জাবি শাখা। ১৪ দিন ব্যাপী গণভোটের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ক্যাম্পেইনের প্রথম দিন ছিল আজ।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা থেকে পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের সামনে দিয়ে মুরাদ চত্ত্বরে পথযাত্রা শেষ করে ক্যাম্পেইনের আনুষ্ঠানিকতা সমাপ্ত হয়।
ক্যাম্পেইনের সময় জাতীয় ছাত্রশক্তি জাবি শাখার সাধারণ সম্পাদক নাদিয়া রহমান অন্বেষা বলেন, আমরা যত জায়গায় গিয়েছি মানুষের রেসপন্স পজিটিভ পেয়েছি। ভালো লাগছে মানুষ বিভিন্ন বিষয় জিজ্ঞাসা করছে। বিগত ১৭ বছরে কোনো রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে মানুষ কাউকে কিছু জিজ্ঞেস করতো না কিংবা প্রশ্ন করতো না। এখন মানুষ জানতে চাচ্ছে গণভোটে হ্যাঁ দিলে কি হবে কিংবা না দিলে কি হবে। জুলাই সনদের পয়েন্টগুলো নিয়ে আলাপ হচ্ছে। এটা ভালো লাগছে।
তিনি আরও বলেন, নিম্নবিত্ত মানুষ, ক্যাম্পাসে যারা দোকান করে কিংবা শিক্ষার্থী সবার কাছে পজিটিভ রেসপন্স পাচ্ছি। একইসাথে মানুষ যে প্রশ্ন করতে শিখেছে এই বিষয়টি ভালো লাগছে। এই পরিবর্তনটাই হয়তো আমরা চেয়েছিলাম বাংলাদেশে।
ক্যাম্পেইনের বিষয়ে জাতীয় ছাত্রশক্তি জাবি শাখার সভাপতি জিয়া উদ্দিন আয়ান বলেন, “জুলাই আন্দোলনে ছাত্র-জনতা রাষ্ট্র সংস্কার করার জন্য রাস্তায় নেমেছিল। এর ফলশ্রুতিতে হাসিনা সরকারের পতন হয়েছিল। জুলাই সনদ বাস্তবায়িত হলেই শুধুমাত্র সেই সংস্কারকে বাস্তবে রুপ দেওয়া সম্ভব। আমরা আশা করছি আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী জুলাইয়ের পক্ষের শক্তি ও সকল ছাত্র-জনতা গনভোটে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে রায় দিবেন এবং ফলে সরকার ও জনগনের মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য তৈরী হবে। তাই রাষ্ট্র সংস্কার ও ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠায় সকলের প্রতি আমাদের আহ্বান গণভোটে ‘হ্যাঁ’ কেই জয়ী করুন।”

জাতীয় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহবায়ক আহসান লাবিব বলেন, জুলাই অভ্যুত্থান রাষ্ট্রের সংস্কার কার্যক্রম সাধন করার জন্য ম্যান্ডেট দিয়ে যায় এবং ইন্টেরিম সরকার গণভোটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে যেখানে ‘হ্যাঁ’ ভোটের মাধ্যমে সংস্কার সাধিত হবে। ‘না’ ভোট নির্বাচিত হলে সংস্কার হবে না এবং আগের মতো ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা বিরাজ করবে। আমরা যারা সংস্কার সাধনের লক্ষ্যে জুলাই অভ্যুত্থানে অংশ নিয়েছিলাম তাদের একটা দায়বদ্ধতা আছে গণভোটের ক্যাম্পেইন করার জন্য যেন সংস্কার হয়।

তিনি আরও বলেন, ইন্টেরিম গভর্মেন্টেরও সংস্কার সাধনের দায়বদ্ধতা আছে, তাদেরকে বসানোই হয়েছিলো সংস্কার করার জন্য। কিন্তু নানা প্রতিকূলতায় তারা না পেরে গণভোটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেই দায়বদ্ধতা থেকেই আমরা যারা সচেতন আছি গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর জন্যে ক্যাম্পেইন চালাবো যেনো আবার বাংলাদেশে কেউ ফ্যাসিস্ট হয়ে না উঠে, বাংলাদেশে কোনো ফ্যাসিবাদী কাঠামো বিরাজ না করে।

আপনার পছন্দ হতে পারে