জাবিতে র‍্যাগিংয়ের দায়ে বহিস্কৃতদের দুইজন শিবিরের কর্মী দাবি ছাত্রদলের, অস্বীকার ছাত্রশিবিরের

Site Favicon প্রকাশিত: ১৪ অক্টোবর ২০২৫ ০১:৩৪ আপডেট: ১৪ অক্টোবর ২০২৫ ০১:৩৪
A+A-
Reset

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ২১ নম্বর ছাত্র হলে র‍্যাগিংয়ের অভিযোগে প্রাণ রসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের ১৬ শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিস্কার করেছে প্রশাসন। ওই ১৬ জনের মধ্যে তানভীর জামান মুন ও আব্দুল্লাহ আল সাইদ নামের দুজন শিক্ষার্থীকে শিবিরের কর্মী বলে দাবি করছেন শাখা ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা। তবে ছাত্রদলের এই দাবি ভিত্তিহীন বলছে শাখা ছাত্রশিবিরের নেতারা।

বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আলোচনাও হচ্ছে বেশ।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জেইউ মিডিয়া সেল (Ju media cell) নামক একটি পেইজ থেকে তানভীর জামান মুন এবং আব্দুল্লহ আল সাইদের কিছু ছবি ও ফেসবুকের স্টাটাসের স্কিনশর্ট পোস্ট করা হয়েছে। যেখানে ওই দুজনকে শিবির কর্মী বলা হয়েছে। পোস্টটি ছাত্রদলের অনেক সিনিয়র নেতৃবৃন্দকেও শেয়ার করতে দেখা গেছে।

শাখা ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের একটি অংশের এমন দাবি এবং প্রচারণার পরপরই শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি মোস্তাফিজুর রহমান ফেসবুকে একটি স্টাটাসে ওই দুজন শিবিরের কর্মী না বলে জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, গত রমজানে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবির গণইফতার মাহফিলের আয়োজন করলে সেখানে বিভিন্ন মতাদর্শের প্রায় তিন হাজার শিক্ষার্থী অংশ নেয়। সেই প্রোগ্রামে বিভিন্ন জন বিভিন্নভাবে ছবি তুলে। সেই প্রোগ্রামের ছবি থাকা তাদেরই একজনকে শিবির নেতা হিসেবে প্রমাণ করার অপচেষ্টা চালিয়ে সংঘবদ্ধ অপপ্রচার চালাচ্ছে একটি গোষ্ঠী। বাস্তবে ছাত্রশিবির, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাথে তাদের কোন সংশ্লিষ্টতা নেই।

এ প্রসঙ্গে জাবি শাখা ছাত্রদলের আহবায়ক জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবর বলেন, কারা ছাত্রদল করে, কারা শিবির করে, কারা বাগছাস করে সেটা বিষয় না। যারা র‍্যাগিংয়ের সাথে জড়িত তাদের শাস্তি দিতে হবে। এটা হচ্ছে আমাদের কর্তব্য। যারাই এই সমস্ত র‍্যাগিংয়ের সাথে জড়িত তাদের বিচার হোক। আর র‍্যাগিং এর বিরুদ্ধে, গেস্ট রুম, গণরুমের মতো কালচারের বিরুদ্ধে ছাত্রদলের জিরো টলারেন্স সবসময়।

এ বিষয়ে জানতে তানভীর জামান মুনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমাদের প্রশাসন থেকে যদি ডাকা হয় তাহলে আমরা তাদের কাছে ইনশাআল্লাহ জবাব দিবো। এর বেশি কিছু বলতে চাই না কাউকেই। প্রশাসনের কাছে সব জবাব দিবো আমি।
এছাড়া আব্দুল্লাহ আল সাইদের মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে তার দেওয়া ফেসবুকে কিছু স্টাটাস বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, তিনি বিভিন্ন সময় জামায়াত ইসলামী ও ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন স্টাটাস শেয়ার করেছেন।

আপনার পছন্দ হতে পারে