প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও প্রতিবেদকের বক্তব্য

প্রতিপক্ষের বুলিং, ট্যাগিং রুখে দিয়ে খালেদা জিয়া হলের ভিপি হলেন ফারহানা রিথী

by অনলাইন ডেস্ক
Site Favicon প্রকাশিত: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ০০:১২ আপডেট: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ০০:১৪
A+A-
Reset

জাবি প্রতিনিধি 

‘ইনসাইট ঢাকা ডট কম’ অনলাইন পোর্টালে ‘প্রতিপক্ষের বুলিং, ট্যাগিং রুখে দিয়ে খালেদা জিয়া হলের ভিপি হলেন ফারহানা রিথী’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাদিয়া ইসলাম খানম। তিনি খালেদা জিয়া হল সংসদ নির্বাচনে সহ-সভাপতি (ভিপি) প্রার্থী ছিলেন।

ইনসাইট ঢাকা ডট কমের সম্পাদক এম এ আলমগীর বরাবর লিখিত এক প্রতিবাদলিপিতে সাদিয়া ইসলাম খানম বলেন, আমি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের হল সংসদ নির্বাচনে আমি বেগম খালেদা জিয়া হলের একজন ভিপি প্রার্থী ছিলাম। আপনার প্রকাশিত সংবাদে হলের কয়েকজন শিক্ষার্থী সূত্রে জানা যায়, শিক্ষার্থী বরাতে উল্লেখ করেছেন, “নির্বাচনের কয়েকদিন আগে ছাত্রদলের মনোনীত প্রার্থী সাদিয়া ইসলাম খানম নিজেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রচারণা চালান। এক পর্যায়ে নির্বাচনে তাদের ফিল্ড ভালো না দেখে প্রতিদ্বন্দ্বী ফারহানা রিথীকে ঘায়েল করতে নানা ধরনের অপপ্রচার চালান। নির্বাচনের দুদিন আগে সাদিয়া নির্বাচন কমিশন কার্যালয় বরাবর মিথ্যা অভিযোগ দেন ” বলে উল্লেখ করেছেন। যা সম্পূর্ন মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

তিনি দাবি করেছেন, ‘জাকসু নির্বাচনে হল সংসদে ছাত্রদল মনোনিত কোন প্যানেল ছিলো না। নির্বাচনের কমিশন কার্যালয় বরাবর আমি যে অভিযোগ দিয়েছি তা সম্পূর্ন সত্য এবং অভিযোগপত্রে ভিপি প্রার্থী ফারহানা রিথির নাম ছিল না নিউজে। আমার কোন বক্তব্য নেয়া হয়নি।
আমার বক্তব্য না নিয়েই নিউজ প্রকাশের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সেই সাথে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশনের আহবান জানাচ্ছি।’

প্রতিবেদকের বক্তব্য:

আমি হলের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলার পর প্রাপ্ত প্রকৃত তথ্য প্রতিবেদনে উপস্থাপন করেছি। প্রকৃত তথ্য উপস্থাপন করা ছাড়া এ প্রতিবেদন লেখার পেছনে আমার অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিল না। আমি হলের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারি,
নির্বাচনের কয়েকদিন আগে ছাত্রদলের মনোনীত প্রার্থী সাদিয়া ইসলাম খানম নিজেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রচারণা চালান। এক পর্যায়ে নির্বাচনে তাদের ফিল্ড ভালো না দেখে প্রতিদ্বন্দ্বী ফারহানা রিথীকে ঘায়েল করতে নানা ধরনের অপপ্রচার চালান। অপপ্রচারের অংশ হিসেবে তিনি নির্বাচনের দুদিন আগে  নির্বাচন কমিশন কার্যালয় বরাবর একটি অভিযোগ দেন। যেটিকে সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে দাবি করেন ওই অভিযোগপত্রে উল্লেখিত অভিযুক্তরাসহ ওই হলের অনেক শিক্ষার্থী।

হলের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারি, সাদিয়া ইসলাম খানম যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দেন তারা ফারহানা রিথীর সঙ্গে একযোগে নির্বাচনী প্রচারণা করতেন। সাদিয়া ইসলাম নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ করে পরোক্ষভাবে ফারহানা রিথীর ফিল্ড নষ্ট করতে চেয়েছিলেন। এছাড়াও ফারহানা রিথী নির্দিষ্ট একটি ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত বলেও ‘ট্যাগ’ দেওয়ার চেষ্টা করেন।

হলের শিক্ষার্থীরা আরও জানান, সাদিয়া ইসলাম খানম ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। শাখা ছাত্রদল হল সংসদ নির্বাচনে ছাত্রী হলগুলোতে কোনো প্যানেল দেয়নি। কিন্তু জাকসুর কেন্দ্রীয় সংসদের প্যানেল ঘোষণার পর শাখা ছাত্রদলের শীর্ষ নেতারা জানান, যে হলগুলোতে তারা পূর্নাঙ্গ প্যানেল দিতে পারেননি সে হলগুলোসহ সব হলেই ছাত্রদলের অনেক প্রার্থী হল সংসদে নির্বাচন করবেন। যা অনেক মূলধারার গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। এজন্য সাদিয়া ইসলাম খানম ছাত্রদলের মনোনীত প্যানেলের অন্তর্ভুক্ত না হলেও তিনি ছাত্রদলের সমর্থনে নির্বাচনে অংশ নেন। নিউজের কোথাও সরাসরি তার নামে অভিযোগ উল্লেখ করা হয়নি তাই তার বক্তব্য নেওয়ার প্রয়োজনবোধ করিনি। বরং সংবাদ প্রকাশের পর ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি সোহেল রানা, আবিদুরসহ কয়েকজনকে দিয়ে কল দিয়ে আমাকে হয়রানি করেছে।

এছাড়া উল্লিখিত বিষয়গুলো ফারহানা রিথীর কাছে জানতে চাইলে তিনিও একই কথা বলেন।

আপনার পছন্দ হতে পারে