জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) গাঁজা সেবনরত অবস্থায় গাঁজা ও গাঁজা সেবনের সরঞ্জামসহ দুই শিক্ষার্থী ও এক বহিরাগত নারীকে আটক করেছে প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা।
আজ শুক্রবার ( ৫ সেপ্টেম্বর) রাত সোয়া নয়টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সুইমিং পুল এলাকা থেকে তাদেরকে আটক করা হয়। পরে তাদের কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে রাত দশটার দিকে ছেঁড়ে দেওয়া হয়।
আটককৃত দুই শিক্ষার্থী হলেন এম নাফিদ ও নুসরাত জাহান বিনতু। তারা দুইজনই বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ৫১ তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। এছাড়াও বহিরাগত ওই নারীর নাম মেহেরুন নেছা। তিনি রাজধানীর ইউনাইটেড ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী। তারা বাসা ঢাকায়। তিনি নুসরাত জাহান বিনতুর বান্ধবী বলে পরিচয় দেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিস সূত্রে জানা গেছে, নিরাপত্তা শাখা ও প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা টহল দিতে বের হয়ে সুইমিংপুল পুল এলাকায় যান। সেখানে তারা আটককৃত ওই তিনজনকে গাঁজা সেবনরত অবস্থায় দুজনকে দেখতে পেয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। তারা সেবরত গাঁজা ফেলে দিয়ে অস্বীকার করলে প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা তল্লাশী করে এম নাফিদের প্যান্টের পকেট থেকে গাঁজাসহ গাঁজা সেবনের সরঞ্জামাদি খুঁজে পান। পরে প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা তাদেরকে প্রক্টর অফিসে নিয়ে যান। রাত দশটার দিকে তারা প্রক্টরিয়াল বডির কাছে গাঁজা সেবরত অবস্থায় ধরা পড়েছে এবং ভবিষ্যতে এরকম কাজ থেকে বিরত থাকবে এই মর্মে মুচলেকা দিলে তাদেরকে ছেঁড়ে দেওয়া হয়।
প্রক্টরিয়াল বডির জিজ্ঞাসাবাদে বহিরাগত মেহেরুন নেছা বলেন, নুসরাত জাহান বিনতুর সাথে ফেসবুকে পরিচয় হয় তার। তিনি রাজধানীর মহাখালী থাকেন। সে এর আগেও ক্যাম্পাসে এসেছেন। তবে তিনি গাঁজা সেবন করেন না বলে জানান।
এ বিষয়ে সহকারী প্রক্টর আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আমরা সন্ধ্যার পর টহল দিতে বের হয়েছিলাম। সুইমিংপুল এলাকায় গিয়ে গাঁজার গন্ধ পাই। আমরা গন্ধের সূত্র ধরে এগিয়ে গিয়ে ওই তিনজনকে দেখতে পাই। তারা আমাদেরকে দেখতে পেয়ে সেবরত গাঁজা ফেলে দেন। আমরা তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা অস্বীকার করেন। তখন আমরা নাফিদের প্যান্টের পকেটে তল্লাশী করলে তার পকেট থেকো গাঁজা ও গাঁজা সেবনের সরঞ্জাম খুঁজে পাই। আমরা তাদের কাছ মুচলেকা নিয়েছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।