চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উপজেলা প্রধান সমন্বয়কারী জহির উদ্দিনের বিরুদ্ধে এক যুবদল নেতাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এতে ওই যুবদল নেতার হাত ভেঙে গেছে বলে দাবি পরিবারের।
আহত যুবদল নেতা মো. ফারুক বান্দরবানের লামা উপজেলার আজিজনগর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি। আজ বৃহস্পতিবার রাত আটটার দিকে লোহাগাড়ার একটি রেস্তোরাঁয় সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করে তাঁর পরিবার।
সংবাদ সম্মেলনে ফারুকের বাবা শহিদ মিয়া, মা পেয়ারা বেগম, বোন সেলিনা আক্তার, ভগনিপতি মো. ইসমাইল ও ছেলে ফয়সাল উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।
লিখিত বক্তব্যে পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়, কিছুদিন আগে জহির উদ্দিনের নেতৃত্বে একদল লোক আজিজনগর এলাকায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের চেষ্টা করলে বাধা দেন ফারুক। এতে ক্ষুব্ধ হন জহির উদ্দিন। কয়েক দিন আগে অসুস্থ হয়ে পড়লে ফারুকের বাবাকে লোহাগাড়ার পুরোনো থানা এলাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আজ ছাড়পত্র নিয়ে বাবাকে বাড়িতে নিতে আসেন ফারুক। ওই সময় জহির উদ্দিনের নেতৃত্বে কয়েকজন তাঁকে হাসপাতালের সামনে থেকে তুলে নিয়ে নির্জন স্থানে মারধর করেন। এরপর ইয়াবা দিয়ে ফাঁসিয়ে জোর করে স্বীকারোক্তি আদায় করে সেটি ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। পরে পুলিশ গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে।
অভিযোগ অস্বীকার করে এনসিপি নেতা জহির উদ্দিন বলেন, ফারুকের নামে মাদক পাচারের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। স্থানীয় লোকজনের হাতে ধরা পড়ার পর তাঁর কাছ থেকে ১০টি ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করে পুলিশ। এ ছাড়া তাঁর মুঠোফোনে মাদকের তথ্য লেনদেনের প্রমাণ মিলেছে। তিনি বলেন, ‘ঘটনার সঙ্গে আমি জড়িত নই। বরং আমাকে ষড়যন্ত্র করে জড়ানো হচ্ছে। গণপিটুনি থেকে ফারুককে বাঁচাতে কয়েক ঘণ্টা পর আমি ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম।’