ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ডাকসু নির্বাচনে নারী শিক্ষার্থীদের ‘গেম চেঞ্জার’ হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ, নারী ভোটার ১৮ হাজার ৯০২ জন, যা মোট ভোটারের ৪৭ দশমিক ৫২ শতাংশ। ক্যাম্পাসে এমন আলোচনা আছে যে নারী শিক্ষার্থীদের বড় অংশের ভোট যেদিকে যাবে, তাঁদেরই নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
এবারের ডাকসু নির্বাচনে অন্তত ১০টি প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। বিভিন্ন প্যানেল নিজেদের ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক’ দেখাতে নারী, সংখ্যালঘু বা ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীকে প্রার্থী করলেও সংখ্যাটি খুবই কম। শীর্ষ তিন পদে ( ভিপি, জিএস ও এজিএস) নারী প্রার্থী মাত্র ১০ জন। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রার্থী আছেন ৫ জন। ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর কেউ শীর্ষ তিন পদে প্রার্থী হননি।
তবে ডাকসুর সদস্য পদে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের পাঁচ শিক্ষার্থী ও ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী থেকে তিনজন প্রার্থী হয়েছেন। এ ছাড়া দুটি সম্পাদকীয় পদে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর তিনজন প্রার্থী রয়েছেন।
গতকাল ক্যাম্পাসে গিয়ে ছয়জন প্রার্থীর কাছে প্রশ্ন রাখা হয়, তাঁদের প্রচারে কী কী বিষয় গুরুত্ব পাবে। জবাবে প্রায় সবাই বলেছেন, সব শিক্ষার্থীর অধিকার আদায়ই তাঁদের লক্ষ্য। তবে প্রচারে বিশেষ করে নারীদের সমস্যা-সংকটকেন্দ্রিক বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে। এর পাশাপাশি সংখ্যালঘু সম্প্রদায় ও ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের আশ্বাস থাকবে।