জাবিতে খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকীতে দোয়া মাহফিল, ছাত্রদলের দুই গ্রুপের বাগবিতণ্ডা

by অনলাইন ডেস্ক
Site Favicon প্রকাশিত: ১৫ আগস্ট ২০২৫ ২১:৫২ আপডেট: ১৫ আগস্ট ২০২৫ ২২:৩১
A+A-
Reset

জাবি প্রতিনিধি
সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৮০ তম জন্মবার্ষিকীতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি হলে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মধ্যে বাগবিতণ্ডার ঘটনা ঘটেছে।
আজ শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদ ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে আয়োজিত দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে এ ঘটনা ঘটে।
ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের সূত্রে জানা যায়, বেগম খালেদা জিয়ার ৮০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ও তাঁর শারিরীক সুস্থতা কামনা করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকটি আবাসিক হলে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এর মধ্যে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হল শাখা ছাত্রদলের কমিটির সাথে অন্যান্য নেতা-কর্মীদের বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। পরে হলের প্রাধ্যক্ষ আব্দুর রাজ্জাক পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে শাখা ছাত্রদলের সদস্য ও ৫২ ব্যাচের শিক্ষার্থী আকিমুসসালাত আবিদুর বলেন, শাখা ছাত্রদলের নবগঠিত বর্ধিত কমিটি ও হল কমিটিগুলোতে ছাত্রলীগ, চাঁদাবাজ, নেশাগ্রস্ত, লবিং, মাই ম্যান ও যারা কখনো ছাত্রদলের রাজনীতিতে ছিল না এমন ছাত্রদের দিয়ে কমিটি দেওয়া হয়েছে। আজকে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলে আয়োজিত মিলাদ মাহফিলে আমাদের দাওয়াত পর্যন্ত দেওয়া হয়নি।
তিনি আরও বলেন, আমরা মিলাদে গেলে কথাবার্তার একপর্যায়ে হল ছাত্রদলের অবাঞ্চিত সভাপতি মেহেদি ইমন আমাকে ‘তুমি কে’ বললে ত্যাগী ও ছাত্রদলের দুর্দিনের কান্ডারি সাজ্জাদ হোসেন, মেহেদী হাসান তরু, মাহিন, সাইদ হাসান, আতিক, রাব্বি সরকার আকাশ, সিদ্দিক, শাহিদ তালুকদারসহ অন্যান্য আরো জুনিয়র নেতা-কর্মীরা এই পকেট কমিটির বিরুদ্ধে ক্ষিপ্ত হোন ও প্রতিবাদ জানান। সুসংগঠিত জাবি ছাত্রদলকে ছিন্ন বিচ্ছিন্ন করার পায়তারা যে সুপার ফাইভ ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় নেতা করেছে তাদের শাস্তির আওতায় আনতে আমাদের সাংগঠনিক অবিভাবক জনাব তারেক রহমানের হস্তক্ষেপ আশা করছি।

ছাত্রদলের পদবঞ্চিত কর্মী সাইদ হাসান বলেন, আজকে ছাত্রলীগ সম্মিলিত এই কমিটিকে কেন পকেট কমিটি বলা হয় তারা তা প্রমাণ করে দিয়েছে। তারা আজকে কমিটির বাইরের নেতাকর্মীদের একটি বিশাল অংশকে না জানিয়ে দোয়া মাহফিল আয়োজন করে। তারপরও দলের জন্য আমরা সেখানে যাই। কিন্তু তাদের এই কাজ এবং আমাদের প্রতি মাহফিলে তাদের আচরণ জাতীয়তাবাদী ভাবমূর্তিকে ক্ষুণ্ণ করেছে।

তবে এসব বিষয় অস্বীকার করেছেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হল শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মেহেদী হাসান ইমন। তিনি বলেন, এটা কমিটি এবং কমিটির বাইরের না, এটা হচ্ছে নজরুল হল ছাত্রদল। আমরা একসাথেই মসজিদে দোয়া মাহফিল করেছি। আমরা একসাথে দোয়া করে, তবারক খেয়ে বের হয়ে গেছি।সেখানে কোন কথা কাটাকাটি হয়নি। আমরা আমাদের মত কার্যক্রম শেষ করে চলে এসেছি।

সার্বিক বিষয়ে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলের প্রাধ্যক্ষ আব্দুর রাজ্জাক ইনসাইট ঢাকা ডটকমকে বলেন, দোয়া মাহফিলে তেমন বড় কিছু হয়নি। দুই গ্রুপের মাঝে একটু মনমালিন্য থাকেই। তবে সেটা বড় কোনো পর্যায়ে যায়নি।

আপনার পছন্দ হতে পারে